ঢাকা দ্বিতীয় বিভাগ ক্রিকেট লীগে লাকসামের মোরশেদ মনোনীত

ঢাকা দ্বিতীয় বিভাগ ক্রিকেট লীগে লাকসামের মোরশেদ মনোনীত

ঢাকা ক্রিকেটলীগে দ্বিতীয় বিভাগে অনুশীলনের জন্য মনোনীত হয়েছেন লাকসামের মুরশিদ আলম মোরশেদ। ১৯ অক্টোবর ২০২১ থেকে ধানমন্ডি ক্রিকেট একাডেমীর ৪নং মাঠে কোচ পিন্টুর তত্বাবধানে অনুশীলন সূচনা করেছে সে। উল্লেখ্য, লাকসাম ক্রিকেট একাডেমীর প্রধান কোচ মোরশেদ আলমের যোগ্য প্রশিক্ষণের সাফল্য হিসাবে সম্প্রতি জেলা পর্যায়ে অনুষ্ঠিত বিসিবি ট্রায়ালে ৬ জন নির্বাচিত হয়েছে। যাদের মধ্যে অনুর্ধ্ব ১৪ জাহিদ, প্রান্ত, হাবিব, ফাহিম, অনুর্ধ্ব ১৬ মোশারফ ও অনুর্ধ্ব ১৮ সিয়াম । লাকসাম ক্রিকেট একাডেমিতে প্রশিক্ষণের পাশাপাশি ঢাকায় জাতীয় লীগে খেলার জন্য সমানতালে প্রশিক্ষণ চালিয়ে যাচ্ছে সে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, মোরশেদেরে বাবা বিক্রি করেন বাদাম। আর ছেলে চানাচুন। স্বপ্ন আকাশ ছোয়া। খেলতে চান জাতীয় ক্রিকেট দলে। সেই স্বপ্ন বাস্তবে রুপ দিতে খেলে যাচ্ছে লাকসাম পৌরসভার বাতাখালী গ্রামের আলী আকবরের ছেলে মোরশেদ। পরিবারে চার ভাইয়ের মধ্যে মোর্শেদ তৃতীয়। অভাব আর আর্থিক দৈন্যতার কারণে প্রাথমিক স্কুলের গণ্ডিটাও টপকাতে পারেনি। কিন্তু শত অভাব আর কষ্টের মধ্যেও ছেলেটির মনের মধ্যে একটি স্বপ্ন দানা বেধে আছে। সেই ছোট বেলা থেকেই ব্যাট আর বলের সঙ্গে গভীর সম্পর্ক তার। বাবার সঙ্গে রাতের বেলায় রাজধানীর রাইফেল স্কয়ারের সামনে চানাচুর বিক্রি করতো। আবার দিনের বেলায় কলাবাগান মাঠে নিয়মিত প্রাক্টিসও করে। যা বিভিন্ন জাতীয় ইলেক্ট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ায় প্রকাশের মাধ্যমে সংবাদ শিরোনাম হয় মোরশেদ। করোনাকালীন সময়ে ঢাকার ক্লাবগুলোতে ক্রিকেট প্যকটিস না হওয়ায়। লাকসাম ক্রিকেট একাডেমীতে প্রশিক্ষক হিসাবে সময় দেয় সে। যা প্রতিষ্ঠানটি লাকসামের ক্রিড়াঙ্গনে মডেল হয়ে দাঁড়িয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাইফুল আলম ও ভাইস চেয়ারম্যান মহ্ববত আলীর পরিচালনায় স্বল্প সময়ে ঘুরে দাড়িয়েছে এই ক্রিড়া সংগঠনটি।উল্লেখ্য, মোরশেদের আগমন ২০১৬ সালে রাজধানীতে। ওই বছর ১৬ আগস্ট কলাবাগান ক্রীড়া চক্রে প্রাক্টিস করার সুযোগ পান। ঢাকায় এসে এক বড় ভাইয়ের সহযোগীতায় কলাবাগান ক্রীড়া চক্রে (অনর্দ্ধ ঊনিশ) ক্রিকেটে অংশ নেন। সেখানে একটি টুর্নামেন্টে অংশ নিয়ে ৪নং ব্যাটম্যান হিসেবে নেমে ২৪ বলে ৩০ রান করে ক্লাব কতৃপক্ষের দৃষ্টিতে পড়েন। পরবর্তী ম্যাচে ৫৩ বলে ৬৩ রানে অপরাজিত হয়ে ম্যান অব দ্যা ম্যাচ হন সে।এরপর থেকে নিয়মিত খেলে যাচ্ছে। তবে কখনও কলাবাগান ক্রীড়া চক্রের হয়ে, আবার কখনও অন্য টিমের সঙ্গে। ধারাবাহিক ভাবে বল আর ব্যাটের সঙ্গে থেকে গতি পাচ্ছে। সে চায় ব্যাট এবং বল দিয়ে দেশের জন্য কিছু করতে। তিনি আরও বলেন, ‘সবার মত আমারও স্বপ্ন জাতীয় দলে খেলার। যদি কেউ আমার পাশে দাঁড়াতেন আমি অবশ্যই ভালো কিছু করে দেখাতে পারতাম।

Please follow and like us:
0
20
Pin Share20

Leave a reply

Minimum length: 20 characters ::
RSS
Follow by Email
YOUTUBE
PINTEREST
LINKEDIN