ছাতকের এক শিক্ষক এ্যাডভোকেট বশির উদ্দিনের পিতা কে, ইছাক আলী না হারিছ আলী,জনমনে নানান প্রশ্ন

ছাতকের এক শিক্ষক এ্যাডভোকেট বশির উদ্দিনের পিতা কে, ইছাক আলী না হারিছ আলী,জনমনে নানান প্রশ্ন

মুহিবুর রেজা টুনু,সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:সুনামগঞ্জের ছাতকে সরকারী নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে শিক্ষকতার পাশাপাশি আইন পেশায় ও জড়িত আছেন একই ব্যক্তি। তিনি একই সাথে সুনামগঞ্জবারে আইন পেশা ও দশঘর ছৈলা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদে চাকুরী করে আসছেন দাপটে সাথে। এ নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা শুরু হয়েছে। ছতক উপজেলার ছৈলা গ্রামের আব্দুল মতিন অক্টোবরে সিলেট প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক বরাবরে দায়ের করা এক আবেদনে উল্লেখ করা হয়,দ্িক্ষন খুরমা ইউ/পি”র সেনপুর গ্রামের ইছাক আলীর পুত্র বশির উদ্দিন একই সাথে আইন পেশা ও ছৈলা দশঘর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করে যাচ্ছেন। তিনি সুনামগঞ্জ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের স্মারক নং-৪০৬,১৩.০৩.২০০০ইং মূলে ৮নং ক্রমিকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নিয়োগপত্রে সেনপুর গ্রামের মৃত হারিছ আলীর পুত্র বশির উদ্দিন চাকুরী গ্রহন করেন। নিয়োগপত্রে শর্তাধির মধ্যে(ঘ)তে বলা হয়, শিক্ষক কর্তৃক সরবরাহকৃত যে কোন তথ্য, সনদপত্র মিথ্যা এবং ভূয়া প্রমানিত হলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের নিয়োগাদেশ বাতিল বলে গণ্য করা হবে। এছাড়াও ৯ অক্টোবর এস এ পরিবহনের মাধ্যমে সেনপুর গ্রামের নজরুল ইসলামের দেয়া আবেদনে ঢাকাস্থ বাংলাদেশ বার কাউন্সিল সচিব বরাবরে ’দি বাংলাদেশ লিগ্যাল প্রেকট্রিশনার এন্ড বার কাউন্সিল অর্ডারস্ এন্ড রুলস্ ১৯৭২’এর ধারা উল্লেখ করে বলা হয় কোন ব্যক্তি আইন পেশায় তালিকা ভূক্তির সময় শপথনামা সহযোগে শপথ করেন যে, তিনি কোন প্রতিষ্ঠানে চাকুরী কিংবা কোন লাভজনক প্রতিষ্ঠানের সাথে জড়িত নহেন। কিন্তু আইনজীবি মো: বশির উদ্দিন আইন পেশার পাশাপাশি কিভাবে প্রধান শিক্ষক পদে চাকুরী করে আসছেন তা বোধগম্য নয় ? সুনামগঞ্জ জেলা আইনজীবি সমিতির ওকালতনামার ২৯৫নং ক্রমিকে সেনপুর গ্রামের মৃত হারিছ আলীর পুত্র এডভোকেট বশির উদ্দিন ও আইন রীতি গাইড বইয়ে ( ছসিহ ১২১ পৃষ্টায়) মৃত হারিছ আলী ও চন্দ্রমালার পূত্র বশির উদ্দিনের নাম রয়েছে। তার অন্তর্ভূক্তি ১ ডিসেম্বর ২০১০ইংএবং যোগদানের তারিখ ৩ জানুয়ারী ২০১১ইং জানা গেছে। শিক্ষক নিয়োগ ও আইনী পেশায় যোগদানের সময় পিতার নাম মৃত হারিছ আলী উল্লেখ করলেও পীরপুর ভূমি অফিসের নামজারী মোকাদ্দমা নং ২৩৩৬/২০০৮-০৯ইং মূলে তার পিতার নাম ইছাক আলী উল্লেখ করা হয়েছে। এভাবে তার বিরুদ্ধে ছাতক থানার পুলিশ এসল্ট মামলা (নং-০২,০৩/০২/২০১৫ইং) ও ঘর পুড়ানো মামলায় (নং-৩১,তাং-২৯/০৮/২০১৬ইং) পিতার নাম ইছাক আলী উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি ইছাক আলী ও হারিছ আলী নামে দুই ব্যক্তিকে পিতা উল্লেখ করায় তা সকল সার্টিফিকেটে ও জাল বলে ধারনা করছেন অনেকে। এ ব্যাপারে শিক্ষক বশির উদ্দিন তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগগুলো সর্ম্পকে বলেছেন শিক্ষকতা পেশায় পিতার নাম হারিছ আলী হলে ও তিনি ভূমি অফিসের নামজারিতে একাধিক দলিলে ইছহাক আলী বলে জানান। তিনি বলেন দুই জায়গাতে পিতার নাম দুই ধরনের হলেও আইনে কোন প্রকার জটিলতা কিংবা সমস্যা নেই বলে জানান।তিনি উপজেলার দক্ষিণ খুরমা ইউনিয়নের সেনপুর গ্রামের মৃত ইছহাক আলী ওরফে হারিছ আলীর পূত্র তিনি। সুনামগঞ্জ কোর্টে আইন পেশায় সদস্য হয়েছেন কিন্তু প্রেক্ট্রিস করছেন না। নিয়মিত ভাবে স্কুলের দায়িত্ব পালন করছেন বলেও জানান তিনি। এ ব্যাপারে দক্ষিণ খুরমা ইউনিয়নের চেয়াম্যান আব্দুল মছব্বির জানান ইছাক আলী ও হারিছ আলী এ ব্যক্তি নয় এখানে ব্যক্তি হচ্ছেন দুইজন? এখানে শিক্ষক বশির উদ্দিনের পিতার নাম মৃত ইছাক আলী এবং আলা উদ্দিনের পিতার নাম মৃত. হারিছ আলী। মূলত তাদের বড় চাচার নাম হচ্ছে হারিছ আলী। এছাড়াও ভোটার তালিকায় বশির উদ্দিনের নাম আছে কিনা এ বিষয়ে তিনি বলতে পারছেন না বলে জানান তিনি।

Please follow and like us:
0
20
Pin Share20

Leave a reply

Minimum length: 20 characters ::
RSS
Follow by Email
YOUTUBE
PINTEREST
LINKEDIN