ঘুষের টাকা না পেয়ে বেসামাল গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের উপসচিব এস এম নজরুল

ঘুষের টাকা না পেয়ে বেসামাল গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের উপসচিব এস এম নজরুল

বিশেষ প্রতিনিধি : গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের উপসচিব এস এম নজরুল ইসলামের দপ্তরে ক্রয়কৃত জমির উপরে ফ্ল্যাটের হেবা দলিলের নামজারীর অনুমতির জন্য আবদুল মান্নান সকল প্রয়োজনী কাগজপত্র অর্থাৎ ২৫ বছর পূর্বের ১৮ (আঠারো ) জনের নামে যৌথভাবে নামজারীর রশিদ,ডিসিআর নামজারী জমাবাগ ও বর্তমান সিটি জরিপের কপি দাখিল করেন । কাগজপত্র উপসচিব পর্যালোচনা করে এক সপ্তাহ পরে তার কাছে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ দাবী করেন । মান্নান অবসরপ্রাপ্ত সরকারী কর্মকর্তা বলে পরিচয় দিয়ে অনুমোদন পত্রটি প্রদান করতে অনুরোধ করলে উপসচিব তার কথায় অসন্তষ্ট হয়ে নানান ফন্দি আটতে থাকেন । এর পর তার সহকারীর মাধ্যেমে আবার ঘুষের টাকা পরিশোধ করতে বলেন । টাকা দিতে মান্নান অসম্মতি প্রকাশ করলে সে ক্ষিপ্ত হয়ে সকল কাগজপত্র দাখিল করার পরেও তাকে পুনরায় জমির নামজারী করার জন্য ২০,০০০/- ( বিশ হাজার টাকা ) বকেয়া ফি প্রদানের নির্দেশ দেন। যাহা আইন বহিভুর্ত।(১) লামিয়া ওসমান ও (২) আলমা ওসমান, সর্ব পিতা জাফর ওসমান মাতাঃ রাহমীনা ওসমান, প্লট নং ৩৯১/এ, (পুরাতন) ০৬ (নতুন) রোড নং সহ ২৮ (পুরাতন) ১৫ (নতুন) ধানমন্ডি আবাসিক এলাকা, ঢাকার ০১ বিঘা জমির উপর ২০৫০ বর্গফুট আয়তন এবং নিচতলার কার পাকিং ৪৫০ বর্গ ফুটসহ অর্থাৎ ১ (এক) কাঠা বা ০.১৬৫ অযুতাংশ জমির ফ্ল্যাট ৩১ জানুয়ারী ২০১৯ ইং তারিখ হেবা বিষয়ক দলিল নং ৩৯৮ তাদের মাতা হেবা দলিল রেজিস্ট্রি করে দেন।তৎপরবর্তী ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০১৯ ইং চালান নং ৪৭ সোনালী ব্যাংক লিমিটেড বি বি এভি নিউ ঢাকাতে বিধি মোতাবেক উক্ত জমিনের নামজারির জন্য ২০,০০০/- (বিশ হাজার) টাকা জমা প্রদান পূর্বক ২৫ফেব্রুয়ারী ২০১৯ ইং অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন-২) গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে দরখাস্ত দাখিল করা হয়।এস এম নজরুল ইসলাম টাকা ছাড়া কোন কাজ করেনা বলে সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা যায় । তাহার শাখার প্রশাসনিক কর্মকর্তা কোন কাজে কত টাকা পরিশোধ করতে হবে উক্ত সেবা গ্রহীতাদের জানিয়ে দেয়।উপসচিবের চাহিদামত ঘুষ দিতে রাজি থাকলে এবং তার নির্দিষ্ট সময়ে তার হাতে টাকা পৌছে দিলেই মাত্র তার কাজগুলির নথি উপস্থাপনের নির্দেশ হয়। টাকা ছাড়া সে কোন সেবামুলক কাজের ফাইলে স্বাক্ষর করেন না।এই নামজারি জন্য ৫০,০০০/- টাকা নিজে ও তার শাখার সহকারীর দ্বাড়া একাধিকবার ভুক্তভোগীকে পরিশোধ করতে বলেন। কিন্তু সত্য বা সঠিক কাজে ঘুষ দিতে ভুক্তভোগি রাজী না হওয়ায় ৭ দিনের কাজ আজ ৩ বছর যাবৎ নানান অজুহাতে সময় ক্ষেপন করছে। বিষয়টি নিয়ে মন্ত্রণালয়ের একাধিক অতিরিক্ত সচিবসহ ডজন খানেক কর্মকর্তা তাকে নামজারী করার আদেশ প্রদানের জন্য অনুরোধ করেছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে ।যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অতিরি ক্ত সচিব মোঃ তাজলু ইসলাম চৌধুরী উক্ত নামজারির জন্য তাকে অনুরোধ করেন এবং ভুক্তভোগি উপসচিবের সাথে প্রায় অর্ধশতবার দেখা করে। কিন্তু কোন মতেই সে বুঝতে রাজি নয়।পরবর্তীতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল মজিদ এবং প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোঃ আনোয়ার হোসেনও একাধিকবার উপ-সচিবের সাথে সাক্ষাৎ করেন কিন্তু তিনি টাকা ছাড়া করবেন না বিধায় উক্ত ফাইলের নথি আজ ৩ বছরেও উপস্থাপিত হয় নাই। এরপর উক্ত উপ-সচিবের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোঃ মনিরুজ্জামান (উন্নয়ন-২)এর সাথে ভুক্তভোগি সাক্ষাৎ করার পর তিনি উক্ত নামজারীর বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য এসএম নজরুল ইসলামকে নির্দেশ প্রদান করেন। কিন্তু উপসচিব নজরুল ইসলাম কোনভাবেই টাকা ছাড়া নামজারীর আদেশ জারী করবেন না বলে প্রকাশ করেন। সে জন্য তিনি দীর্ঘ চার মাস অতিবাহিত হওয়ার পর ২৪ জুন ২০১৯ ইং তারিখ ,নম্বর ২৫,০০.০০০০.০২০,৩১,৫৫৩,১৭-৭১১ (১)(২) মোতাবেক নির্বাহী

Please follow and like us:
0
20
Pin Share20

Leave a reply

Minimum length: 20 characters ::
RSS
Follow by Email
YOUTUBE
PINTEREST
LINKEDIN