২ অক্টোবর আন্তর্জাতিক অহিংস দিবস উপলক্ষে মানববন্ধন ও শান্তি পদযাত্রা

২ অক্টোবর আন্তর্জাতিক অহিংস দিবস উপলক্ষে মানববন্ধন ও শান্তি পদযাত্রা

“সংঘাত নয়, ঐক্যের বাংলাদেশ গড়ি-শ্লোগানকে সামনে রেখে ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশন ফর ইলেকটোরাল সিস্টেমস (আইএফইএস) এর সার্বিক পৃষ্ঠপোষকতায় পিস ফ্যাসিলিটেটর গ্রæপ [পিএফজি] ও দি হাঙ্গার প্রজেক্ট-বাংলাদেশ যৌতভাবে ২ অক্টোবর ২০২১, শনিবার, মানববন্ধন ও শান্তি পদযাত্রার মধ্য দিয়ে একযোগে সারাদেশের ন্যায় কুমিল্লার লাকসাম বাইপাসে আন্তর্জাতিক অহিংস দিবস উদযাপন হয়েছে। সংগঠনগুলোর সদস্যবৃন্দসহ এই আয়োজনে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের রাজনৈতিক দল, জনপ্রতিনিধি, সমমনা সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন, বিভিন্ন পেশা বা সেক্টরের প্রতিনিধিত্বকারী নাগরিক, স্থানীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রী এবং সাধারণ জনগণ দিবসের কর্মসূচিতে অংশগ্রহন করেছেন।বাংলাদেশের সার্বিক পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক অহিংস দিবস উদযাপনকে গভীর তাৎপর্যবহ বলে আয়োজকরা বিবেচনায় নিয়েছে। কেননা, নিকট অতীতে রাজনৈতিক পরিস্থিতি কল্পনা করলেই আমাদের মানসপটে ভেসে ওঠে দ্ব›দ্ব-সংঘাতের চিত্র, পেট্টোল-বোমার দগ্ধ আহত-নিহত মানুষের দৃশ্যাবলী, জ¦লন্ত বাস-মিনিবাস-ট্রেন, ভস্মিভূত বাড়ি-ঘর, অবরুদ্ধ রাস্তা-ঘাট ও মানুষ, অসহায় মানুষের আহাজারি ইত্যাদি। আর একটু পেছন ফিরে জঙ্গিবাদী তৎপরতার কথা স্মরণ করলে এখনও আমরা শিউরে উঠি। বিভিন্ন কায়দায় শিশু নির্যাতন এখন সচেতন মানুষদের চরম উদ্বেগের বিষয়। বিভিন্ন ধাঁচের নারী নির্যাতন দিন দিন চরম রুপ নিচ্ছে। শুধুমাত্র বাংলাদেশ নয়, বৈশি^ক পরিস্থিতিও আজ অত্যন্ত অস্থিরতাপূর্ণ এবং সংঘাতময়। ধর্মীয় মৌলবাদী ও জঙ্গীবাদী শক্তির অপতৎপরতা যেভাবে দেশে-দেশে ছড়িয়ে পড়ছে, তা সচেতন মানুষের কাছে অস্বস্তিদায়ক। এমনি এক অবস্থায় আমরা সবাই যদি স্ব-স্ব অবস্থান থেকে জেগে না উঠি, তবে এক অন্ধকারময় ভবিষ্যত আমাদের জন্য অপেক্ষা করছে। তাই অহিংসার বাণী এবং শান্তি ও সম্প্রীতির আহবান নিয়ে, হাতে হাত রেখে পরস্পরিক সম্পর্কের বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে সম্মিলিতভাবে দিবসটি উদযাপন করেছি। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, আসুন, আন্তর্জাতিক অহিংস দিবসে দাঁড়িয়ে আমরা আমাদের সমাজ ও রাষ্ট্রে শান্তি-সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠা তথা বিশ^মানবতার শান্তির সপক্ষে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে যাওয়ার আহবান জানাই, আহবান জানাই উন্নত রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তোলার, আহবান জানাই অধিকারের প্রশ্নে মানুষকে সচেতন, সংগঠিত ও সোচ্চার হওয়ার। কেননা সংগঠিত মানুষের সমন্বিত শক্তি ও কার্যকর উদ্যোগই পারে সমাজ বিবর্তনকে ইতিবাচকভাবে তরান্বিত করতে। আসুন আমরা সেলক্ষ্যে এগিয়ে যাই।

Please follow and like us:
0
20
Pin Share20

Leave a reply

Minimum length: 20 characters ::
RSS
Follow by Email
YOUTUBE
PINTEREST
LINKEDIN