নাঙ্গলকোট ছাত্র নামধারী সন্ত্রাসীদের হামলায় আহত কলেজ অধ্যক্ষ মীর জাহাঙ্গীর ! পুলিশ নীরব ?

নাঙ্গলকোট ছাত্র নামধারী সন্ত্রাসীদের হামলায় আহত কলেজ অধ্যক্ষ মীর জাহাঙ্গীর ! পুলিশ নীরব ?

স্টাফ রিপোর্টার: নাঙ্গলকোট উপজেলার হোমনাবাদ আদর্শ ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মীর জাহাঙ্গীর আলমকে পিটিয়ে মারাত্মক আহত করে উক্ত কলেজের ছাত্র মুসা ও শ্যামলের নেতৃত্বে একদল বখাটে ছাত্রনামধারী সন্ত্রাসী ।নানা অজুহাতে তারা ছাত্র লীগ নাম ব্যবহার করে কলেজ আঙিনা উত্তপ্ত রাখে । সম্প্রতি এইচএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণ ফি বেশি নিচ্ছে দাবি তোলে কলেজে বহিরাগত কিছু লোক ক্যাম্পাস উত্তপ্ত করে রাখে । এতে একদিকে শিক্ষার পরিবেশ বিঘ্নিত হচ্ছে পাশাপাশি বহিরাগতদের উত্পাতে কলেজের ছাত্রীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভোগে । কলেজের শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার কথা চিন্তা করে অধ্যক্ষ কলেজ গভর্নিং বডির সাথে জরুরি সভা ডেকে ফরম পূরণ ফি ও ছাত্রছাত্রীদের এক বছরের বেতন মওকুফ করে দেন । এতে তারা সন্তুষ্ট থাকলে তাদের নেপথ্য থাকা গড ফাদার উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আবু ইউসুফ ভুলভাল বুঝিয়ে বখাটে ছাত্রদের উত্তেজিত রেখেই অধ্যক্ষকে পিটিয়ে আধমরার করার নির্দেশ দেয় । একাধিক সূত্রে জানা যায়, ঢালুয়া স্থানীয় আওয়ামী লীগে বিরোধ চলছে দীর্ঘদিন ।বয়সে তরুণ ইউসুফ মুরুব্বিগীরি দেখাতে চায় সিনিয়রদের উপর । তারা এটাকে অনেকটা বেয়াদবিই মনে করে । তাই গভর্নিং বডির সদস্যদের বিতর্কিত করতে ইউসুফ ছাত্রদের চালবাজি করতে থাকে । চালবাজি করতে গিয়ে ছাত্রদের উত্তেজিত করে এবং অধ্যক্ষকে বলির পাঁঠা বানায় । ভাইস চেয়ারম্যান ইউসুফ ছাত্র লীগ থেকে দুই দফা ভাইস চেয়ারম্যান আরেক লাফে যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক এবং অর্থ মন্ত্রী আহম মুস্তফা কামালের নাঙ্গলকোট বিষয়ক সেকেন্ড ইন কমান্ড । লেখাপড়ার দৌড় বেশী দূর না থাকলে মন্ত্রীর ব্লেসিং পেয়ে ধরাকে সরাজ্ঞান করছে । যুবলীগ নেতা হয়ে বিতর্কিত ঢালুয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ কমিটির (?)সভা মঞ্চে প্রধান অতিথি !এখন হোমনাবাদ আদর্শ কলেজের বখে যাওয়া ছাত্র নামধারী সন্ত্রাসীরা ইউসুফের ব্লেসিং পেয়ে তারাও প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং কলেজ আঙিনায় মামলা প্রত্যাহার দাবীতে অর্থ মন্ত্রীর ছবি সম্বলিত ব্যানার সাঁটিয়ে মিছিল মিটিং সহ প্রতিবাদ সভা করছে । অর্থ মন্ত্রীর ছবি সম্বলিত ব্যানার এবং মন্ত্রীর আশির্বাদপুষ্ট ইউসুফের ভয়ে নাঙ্গলকোট থানা পুলিশ এক রকম নীরবতা পালন করছে ।আসামিরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও পুলিশ বলছে তাদের খুঁজে পাচ্ছ না ! আর অধ্যক্ষ জাহাঙ্গীর মামলা করে ইউসুফ বাহিনীর ভয়ে লুকিয়ে আছে ।উল্লেখ্য, ঘটনার পরপর নাঙ্গলকোট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লামইয়া সাইফুল তর্জন গর্জন করলেও এখন বরফের চেয়েও ঠান্ডা ?

Please follow and like us:
0
20
Pin Share20

Leave a reply

Minimum length: 20 characters ::
RSS
Follow by Email
YOUTUBE
PINTEREST
LINKEDIN