লাকসাম উপজেলা সদরে সন্ত্রাসীদের তান্ডবে জনজীবন বিপর্যস্ত

লাকসাম উপজেলা সদরে সন্ত্রাসীদের তান্ডবে জনজীবন বিপর্যস্ত

জামাল উদ্দিন স্বপন, কুমিল্লা : শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, বাসাবাড়ি, ওষুধ দোকান, ডায়াগনষ্টিক সেন্টার, হসপিটালসহ অন্ততঃ ২৫/৩০ স্থানে হামলা, ভাংচুর, লুটপাট চালানো হয়। সকাল থেকে রাত অবধি একাধিক সন্ত্রাসী গ্রুপ এ হামলা চালানো হয়। জয়বাংলা শ্লোগান দিয়ে হামলাকারী জঙ্গীরা ব্যাপক ভাংচুর ও লুটপাট, অগ্নিসংযোগ এবং লোকজনকে বেদম মারধর করে এলাকায় ত্রাস সৃষ্টির চেষ্টা চালায়। এ সময় তারা নগদ টাকাসহ কয়েক কোটি টাকার মালামাল লুট করে।ব্যাপক ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের শিকার হয়েছে গন্ডামারার লাকসাম ক্যামব্রীয়ান স্কুল এন্ড কলেজ, বাইপাস সড়ক এলাকায় লাকসাম ডায়াগনস্টিক সেন্টার এন্ড হসপিটাল, সুরক্ষা হসপিটাল, চানমিয়া টাওয়ারের কলাপাতা ফ্যাশন, ক্যামব্রিয়ান সুপার শপ, মেইন রোডের আলম কসমেটিক, ব্যাংকরোডের নূরুন্নবী স্টোর, সামনীর পুল এলাকার ডাঃ আবদুল মুবিনের ডায়াগনস্টিক, কনসালটেশন সেন্টার ও বাসাবাড়ি, জয়নাল আবেদীন পাটোয়ারির ওয়ার্কসপ, পূর্ব লাকসামে ড. সৈয়দ সরওয়ার উদ্দিনের বাড়ি, পশ্চিমগায়ের দেওয়ান মাহবুব খোকনের বাড়ি, বাচ্চু মিয়ার বাড়ি, ওমান টাওয়ারের জয়নাল আবেদীন পাটোয়ারির বাসা, দরগারোডে সাহাবুদ্দিন হায়দারের হায়দার হোমীয় ফার্মেসী, সাতবাড়িয়া এলাকার ক্রিসেন্ট স্কুল এন্ড কলেজ। কাজের ধরনে এ সন্ত্রাসী গ্রুপগুলোতে অধিকহারে পেশাদার মোটরসাইকেল চোর, তালাকাটা চোর, ছিনতাইকারী ও ডাকাত দলের সদস্য ছিল বলে ধারণা করছেন লোকজন।একাধিক সূত্র জানায়, এলজিআরডি মন্ত্রী তাজুল ইসলামের শ্যালক মহব্বত আলী ও মেয়র আবুল খায়েরের নির্দেশে স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা এ সন্ত্রাসী হামলা চালিয়েছে।তবে লাকসাম থানা পুলিশ এ হামলা, ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ব্যাপারে কিছুই জানেন না!

Please follow and like us:
0
20
Pin Share20

Leave a reply

Minimum length: 20 characters ::
RSS
Follow by Email
YOUTUBE
PINTEREST
LINKEDIN